shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

চিরতার ১০ উপকারিতা

আমাদের চারপাশে এমন অনেক উদ্ভিদ আছে যা আমাদের শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী।এর মধ্যে একটি হলো চিরতা। চিরতা একটি ভেষজ উদ্ভিদ।

fgggg Upma tewari ভিউ: 281

Logo

পোস্ট আপডেট 2020-12-20 22:40:27   11 months ago

চিরতা শরীরের জন্য মহা ঔষধ। আমরা হয়তো অনেকে জানি, আবার অনেকে জানি না।এর পাতা অনেকটা মরিচ গাছের পাতার মতো দেখতে।এই গাছের ঢাল শুকিয়ে ভিজিয়ে ঐ জলটা খেতে হয়। চিরতার জল  অনেক তেতো হয়ে। এটা রাতে ভিজিয়ে সকালে ছেকে খেতে হয়।  তাই শরীরের জন্য এটা বেশ উপকারিতা। তাই এর অনেক গুণ। চলুন দেখি আরো ১০ গুনের ক্ষমতা-


১. জ্বর সারায়

 ঋতু পরিবর্তনের ফলে  অনেকের জ্বর হয়, এর সাথে সাথে সর্দি-কাশি হয় । এ অবস্থায় হাত-পা চিবোয় বা কামড়ায়। এ অবস্থা হলে ৫-১০ গ্রাম চিরতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ থাকতে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। পরে তা ছেঁকে সকালে অর্ধেক ও বিকালে অর্ধেক খেতে হবে। কয়েকদিন খেলে জ্বরের এ ভাবটা চলে যাবে।

২. অ্যালার্জি সারায়

যাদের এলার্জি হয়ে শরীর চুলকায়, চুলকানোর জায়গাটা ফুলে লাল হয়ে যায়, ত্বকের অবস্থা খারাপ হয়ে ওঠে। তারা চিরতার শরণাপন্ন হয়ে ভালো থাকতে পারেন। অ্যালার্জি সারাতে চিরতার তিতা রস সাহায্য করতে পারে। আগের দিন রাতে ভিজিয়ে সকালে খেতে হবে 


৩. বমি কমায়

পিত্তজ্বরে অনেক সময় প্রচুর- বমি হয়, বমিটা তিতা ও অল্প সবুজ রঙের বা সবুজাভ হলদে। বমি হলে পেটে কিছু থাকে না। এ অবস্থা সাধারণত শরৎকালে বেশি দেখা যায়। অখাদ্য খেলেও এরূপ হয়। এক্ষেত্রে ২ কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা একটু থেঁতো করে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ভিজারোর ২-৩ ঘন্টা পর ছেঁকে পানিটা অল্প অল্প করে খেতে হবে। এতে বমি থেমে যাবে।


৪. প্রবল হাঁপানির উপশম হয়

একজিমার সাথে যাদের হাঁপানি আছে অথবা অর্শের রক্ত পড়াব বন্ধ হওয়ায় হাঁপানি বেড়ে গেছে, অল্প ঠাণ্ডা লাগলে বা ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশি হয়ে হাঁপানির টানটা বেড়ে গেছে তারা আধা গ্রাম চিরতার গুঁড়ো ৩ ঘণ্টা অন্তর মধুসহ চেটে খাবেন। এতে ২-৩ দিনের মধ্যে প্রবল হাঁপানি কমে যাবে।


৫. কৃমি সারায়

কৃমি হলে পেটের উপরের অংশটা মোচড়ায়, ব্যথা করে। পেটে কৃমি হলে আধা গ্রাম চিরতার গুঁড়ো সকালে মধুসহ বা চিনি মিশিয়ে চেটে খাবেন। এরপর পানি খেতে পারেন। এতে কৃমির উপদ্রব চলে যাবে।


৬. পচা ঘা সারে

ঘা হয়েছে অথচ কিছুতেই সারছে না। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই জল ছেঁকে পচা ঘা ধুয়ে দিলে ২-৪ দিনের মধ্যে ঘায়ের পচানি চলে যাবে ও দ্রুত শুকাবে।


৭. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না, অথচ রোজ মাথা থেকে প্রচুর চুল উঠছে। চুল উঠতে উঠতে ঘন কেশ পাতলা হয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে এক কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা ভিজিয়ে রেখে পরদিন সেই পানি ছেঁকে তা দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেললে চুল ওঠা কমবে। একদিন পর পর একদিন এভাবে চিরতার পানি দিয়ে মাথা ধুতে হবে। ৩-৪ বার এভাবে ধুতে পারলে চুল ওঠা অনেক কমে যাবে।


৮. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে

চিরতা নিয়মিতভাবে খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে বা কমে। চিরতা দেহে অগ্ন্যাশয়ের ইনসুলিন উৎপাদনকে ত্বরান্বিত করে। এক্ষেত্রে আগের দিন রাতে শুকনো চিরতা ৪-৫ গ্রাম পরিমাণ এক গ্লাস (২৫০ মিলিলিটার) গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরদিন ওটা ছেঁকে সকালে খালি পেটে খেতে হবে।


৯. রক্তশূণ্যতা কমায়

চিরতা দেহে রক্তকোষ গঠন করে। তাই চিরতা সেবনে রক্তশূন্যতা কমে যায়। এমনকি ঋতুস্রাব বা মাসিকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তাও কমাতে পারে। কোথাও কেটে গেলে সে কাটা স্থানে চিরতার রস লাগিয়ে দিলে দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ হয়। অভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণ, নাক দিয়ে রক্তপড়া এসবও চিরতা বন্ধ করতে পারে।


১০. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

চিরতার মধ্যে শক্তিশালী এন্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা বার্ধক্যকে বিলম্বিত করে দিতে পারে। এমনকি নিয়মিত চিরতা সেবনে ক্যানসার ও হৃদরোগে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে যায়।




কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Sony Akter 11 months ago

nice

Logo

Upma tewari 11 months ago

Wow