shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

মানসিক চাপ দূর করার ১১টি উপায়

আমরা সকলেই জানি মানসিক চাপ মানে একধরনের দুশ্চিন্তা। মানসিক দূর্বলতা কাটানোর সবচেয়ে ভালো উপসর্গ হলো নিজেকে শক্ত রাখা যে কোন পরিস্থিতিতে।

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 283

Logo

পোস্ট আপডেট 2020-12-25 20:47:04   11 months ago

অধিকাংশ মানুষেরা এই মানসিক দূর্বলতাই ভোগে থাকেন।আমরা এমন অনেকেই আছি যে, নিজের যে কোন সমস্যা নিজের মধ্যেই পোষে রাখি।কিন্তু জানেন কি এতে আমাদের হেতে বিপরীত হতে পারে। অতিরিক্ত ওজন হওয়া, খাদ্যাভাসের দুর্বলতা, ঘুমের অভাব, এক ধরনের শুয়ে-বসে থাকা আলস্যময় জীবনধারা এবং উচ্চ মাত্রার মানসিক চাপ আপনার উচ্চ-মাত্রার রক্তচাপের বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে।জানা গেছে মানসিক চাপ হৃদযন্ত্রের ও ক্ষতি সাধন করে। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে ধূমপান করা বা মদ্যপান করা কেবল সমস্যাটিকে আরও খারাপ দিকেই চালিত করবে।


তাই আসুন দেখে নিই মানসিক দূর্বলতা কাটানোর ১১ টি উপায়


১)  বেশি চিন্তা বা দুশ্চিন্তা করবেন না

প্রতিবেশীরা আপনাকে শুভেচ্ছা জানায়নি? আপনার বাচ্চা বা স্ত্রী তাদের ফোনের উত্তর দেয়নি? এ জাতীয় পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হওয়া বা কারও ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কে অধিকার জাহির করার চেষ্টা করবেন না এবং সম্ভব হলে এইসব ব্যাপারে চিন্তা করাও এড়ান। এই নেতিবাচক চিন্তাভাবনা এবং অত্যধিক চিন্তাভাবনা প্রায়শঃই উদ্বেগ এবং স্বভাবগত রাগ ও উত্তেজনার সমস্যাগুলিকে বাড়িয়ে তোলে, পাশাপাশি আপনার রক্তচাপকেও প্রভাবিত করে। আপনার শক্তিকে ইতিবাচক চিন্তাভাবনায় মনোনিবেশ করুন এবং আপনার শখগুলি পূরণ করতে ব্যস্ত রাখুন। আপনার সুস্থতার দিকে মনোনিবেশ করুন।


২)   সমাধান সন্ধান করুন

ভয়, ক্রোধ এবং দুঃখের মতো আবেগ যথাযথভাবে প্রকাশ করার অক্ষমতা গুরুতরভাবে আপনার দৈনন্দিন জীবনের অনিবার্য চাপগুলি সহ্য করতে আপনার সীমাবদ্ধতার বাঁধন ছিঁড়ে ফেলতে পারে। এগুলি নিজেরা মোটেই ক্ষতিকর ঘটনা নয়, তবে আপনি সেগুলি ধারণ করার ক্ষমতার অভাবে ওই সব সময়ে কীভাবে কী বোঝেন তা হয়তো নিজেই বোঝেন না। সমাধানগুলি খুঁজতে বন্ধুদের বা পরিবারের সকলের সাথে কথা বলুন। এটি আপনার উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠা থেকে মুক্তি দিতে এবং আপনার রক্তচাপের ওঠানামা হ্রাস করতে সহায়তা করবে।


৩)   নিয়মিত ব্যায়াম করুন

ব্যায়াম মানসিক চাপ তৈরিকারী হরমোনের নিঃসরণ কমায়।সুখি হরমোন হিসেবে পরিচিত এনডোরফিনের মাত্রা বাড়ায়।তাই যত ব্যস্তই থাকুন না কেন একটু সময় বের করে ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন।যদি জিমে গিয়ে ব্যায়াম করার সময় না হয় তবে অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন। সেটিও চাপ কমাতে কাজে দেবে।


৪)  ঘুমান

ঘুম শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে উঠার একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন। নিয়মিত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।


৫)  সঠিকভাবে খান

মানসিক চাপে থাকলে খাওয়ার প্রতি অনেকেরই অনীহা হতে পারে। মনে রাখবেন, না খেয়ে থাকা চাপকে বা সমস্যাগুলোকে কমিয়ে দেবে না বরং খাবার আপনার শরীরকে কর্মক্ষম রাখবে এবং চাপ দূর করার পদক্ষেপগুলো নিতে সাহায্য করবে। এ সময় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন। ক্যাফেইন গ্রহণ কমিয়ে দিন।সকালের নাস্তা ভালোভাবে করুন। দিনে অন্তত ছোটবড় মিলিয়ে ছয় বেলা খাবার খান। গমে রুটি, পাস্তা ইত্যাদি খান। ভিটামিন এ এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান। পাশাপাশি গ্রিন টি এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খান।



৬)  শিথিল থাকতে শিখুন

মানসিক চাপের সময় দেহ ও মনকে শিথিল রাখা জরুরি। মানসিক চাপের কারণ সহজেই চলে যাবে না। এটা দূর হতে সময় লাগবে। তাই এসময় নিজেকে শান্ত রাখা জরুরি। মনকে শিথিল রাখতে হালকা ধাঁচের গান শুনুন। আর শরীরকে শিথিল রাখতে স্নান করতে পারেন। পার্লারে বা স্যালুনে গিয়ে মানসিক চাপ কমাতে পারে এ রকম ম্যাসেজ করান।


৭)  যোগ ব্যায়াম ও ধ্যান করুন

মানসিক চাপ কমাতে ধ্যান করতে পারেন। ধ্যানের সময় গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম শরীরকে শিথিল করে। ধ্যান আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি চাপ কমাতে যোগব্যায়ামও করতে পারেন।




৮)  পছন্দের কাজগুলো করুন

হয়তো ছোটো বেলায় গান শিখতেন বা ছবি আঁকতেন আপনি। বড় হওয়ার পর কাজের চাপে বা সংসারের বিভিন্ন ঝক্কি-ঝামেলায় এগুলো করা হয়ে উঠে না আর। মানসিক চাপের সময় এই পছন্দের কাজগুলো আবার শুরু করুন এবং কাজগুলোর মাধ্যমে নিজেকে সময় দিন।


৯)  নেতিবাচক চিন্তা এড়িয়ে চলুন

খারাপ চিন্তা হয়তো সবসময় এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তবে চেষ্টা করুন ইতিবাচক চিন্তা করতে। ভাবুন যা চাইছেন তা ইতিবাচকভাবেই পাবেন। এটা আপনাকে মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করবে।


১০)  নিজেকে গুছান

জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে গুছান। জীবনযাপনকে একটি রুটিনের ভেতরে নিয়ে আসুন। খাওয়া, ঘুমানো, কাজ এবং নিজের পছন্দের কাজ-সবকিছুর জন্য একটি সময় নির্ধারণ করুন।


১১)  সব পরিবর্তন হয় না

হয়তো খুব কাছের কারো মৃত্যু আপনাকে ভঙ্গুর করে দিয়েছে বা কোনো ঘটনা আপনাকে এতটা আহত করেছে যে এর চাপ বহন করা কষ্টের হয়ে যাচ্ছে। ভাবুন অতীত কি ফিরিয়ে আনা সম্ভব বা ঠিক করা সম্ভব?  যদি উত্তর ‘না’ হয়, তবে এটি নিয়ে ভাবনা বন্ধ করে দিন। কেননা সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। আর সবকিছু আমাদের হাতেও থাকে না।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Upma tewari 11 months ago

Thanks

Logo

Sony Akter 11 months ago

Thanks