shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

কচুর লতির ৬টি উপকারিতা

গ্রামবাংলার অতি পরিচিত খাবার কচুর লতি। গলা ধরে বলে অনেকে কচুর লতি খেতে ভয় পায়। কিন্তু সুস্বাদু এই খাবারটি সঠিক পদ্ধতিতে রাঁধলে গলা ধরার ভয় নেই মোটেই।

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 346

Logo

পোস্ট আপডেট 2021-01-11 00:29:46   10 months ago

কচুর শিকড় থেকে লতি হয় সকলেই জানি।  আমরা অনেকেই এটা গলা ধরে বলে খেতে চাই না।কিন্তু এটা ভালো করে রান্না করে খেলে চিংড়ি মাছ দিয়ে অনেক টেস্টি লাগে। কচু এবং কচুর লতিতে প্রচুর আয়রন আছে। এটা শরীরের রক্ত বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। আমাদের শরীরের জন্য কচুর লতির চাহিদা অপরিসীম। 


আসুন তাহলে জেনে নিই কচুর লতি আরো ৬টি উপকারিতা সম্পর্কে 


আয়রন :

অবাক করার মত বিষয় হলেও কচুর লতিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। আয়রন মানব শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। গর্ভস্থ অবস্থা, খেলোয়াড়, বাড়ন্ত শিশু, কেমোথেরাপি পাচ্ছে- এমন রোগীদের জন্য কচুর লতি ভীষণ উপকারী।এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত করে ও চুলের ভঙ্গুরতা রোধ করে।


ফাইবার :
কচুর লতি একটি ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি । কচুর লতিতে ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশের পরিমাণ খুব বেশি। এই আঁশ খাবার হজমে সাহায্য করে, দীর্ঘ বছরের কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, যেকোনো বড় অপারেশনের পর খাবার হজমে উপকারী পথ্য হিসেবে কাজ করে এটি। এছাড়া যাদের কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা আছে তাদের জন্য কচুর লতি একটি উপকারী সবজি ।


ভিটামিন :
ভিটামিনগত দিক থেকে বিচার করলে দেখা যায় কচুর লতিতে রয়েছে ভিটামিন 'সি' । ভিটামিন সি সংক্রামক রোগ থেকে আমাদের দূরে রাখে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে দ্বিগুণ শক্তিশালী। ভিটামিন 'সি' চর্মরোগের বিরুদ্ধে কাজ করে।


কোলেস্টেরল বা চর্বি :

অনেকের মধ্যেই মোটা হবার প্রবণতা দেখা যায় । এছাড়া কোলেস্টেরলের সমস্যা ত আছেই । কচুর লতিতে থাকে ভিটামিন 'বি' । ভিটামিন 'বি' হাত, পা, মাথার উপরিভাগে গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ে ঝিঁ ঝিঁ ধরা বা অবশ ভাব- এ সমস্যাগুলো দূর করে। মস্তিষ্কে সুষ্ঠুভাবে রক্ত চলাচলের জন্য ভিটামিন 'বি' ভীষণ জরুরি। এতে কোলেস্টেরল বা চর্বি হ্রাস করার ক্ষমতা থাকে। তাই ওজন কমানোর জন্য কচুর লতির ভুমিকা অনেক ।


আয়োডিন ও গ্যাসের সমস্যা :

কচুর লতিতে থাকে ফাইবার, যা একদিকে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে এবং খাবার হজমের পর বর্জ্য দেহ থেকে সঠিকভাবে বের হতে সাহায্য করে।ফলে কচুর লতি খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে খুব কম। অন্যদিকে কচুর লতি একটি আয়োডিন সমৃদ্ধ খাদ্য । আয়োডিন দাঁত, হাড় ও চুল মজবুত করে।


ডায়াবেটিস :

কচুর লতি রক্তে চিনির মাত্রা বাড়ায় না। তাই ডায়াবেটিসের রোগীরা নিঃসংকোচে খেতে পারেন কচুর লতি। তবে অনেকেই চিংড়ি মাছ দিয়ে কচুর লতি খেতে পছন্দ করেন । চিংড়ি মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কোলেস্টেরল। তাই যারা হৃদরোগী, ডায়াবেটিস ও উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরলজনিত সমস্যায় আক্রান্ত বা উচ্চ রক্তচাপে (হাই ব্লাড প্রেশারের) ভুগছেন তারা চিংড়ি মাছ শুঁটকি মাছ বর্জন করুন। তবে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল, হাই ব্লাডপ্রেশার নিয়ন্ত্রণে থাকলে অল্প পরিমাণে চিংড়ি মাছ খেতে পারেন কচুর লতিতে।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Sony Akter 10 months ago

Nice

Logo

Upma tewari 10 months ago

Thanks

Logo

MD Dedarul Islam 9 months ago

Thanks