shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

প্রতিদিন দই খাওয়ার উপকারিতা

দই খেতে কে না ভালবাসে। আর বাঙালির দই প্রীতিতো সর্বজনবিদিত। স্বাদে, গুণে দইয়ের তুলনা মেলা ভার। সুস্বাস্থ্য চান? প্রাত্যহিক ডায়েটে দইকে ভুলেও বাদ দেবেন না।

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 252

Logo

পোস্ট আপডেট 2021-01-12 00:56:14   10 months ago

দই বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাবার। শেষ পাতে দই বাঙালির লাগবেই। যারা দই খেতে পছন্দ করেন তাদের দই ছাড়া চলে না।দই হজম করতে সাহায্য করে। আমরা অনেকেই আছি বাইরের ভাজাপোড়া খাবার খেয়ে থাকি। দেখা যায় এসব বাইরের ফাস্ট ফুট খাবার খেয়ে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়।তখন যদি আমরা ঐ খাবার খাওয়ার পড়ে দই খাই সেটা আমাদের হজম করতে সাহায্য করবে। অনেকেই হয়তো দই খাওয়ার অভ্যাস নেই। আমরা যদি শেষ পাতে প্রতিদিন দই খাই তাহলে আমাদের শরীরের জন্য বেশ উপকারি।স্বাস্থ্য চান? প্রাত্যহিক ডায়েটে দইকে ভুলেও বাদ দেবেন না।


চলুন একবার দেখে আসি দইয়ের গুণাবলীর কয়েক ঝলক-


ওজন কমানো-
ওজন কমাতে চান। নিয়ম করে দই খান। আপনার বাড়তি মেদ ঝড়বে আপসে। গবেষণায় প্রমাণিত দই মধ্যস্থ ক্যালসিয়াম শরীরে জমে থাকা ফ্যাটের ব্যবহার বাড়িয়ে দেয়।


মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টসের ঘাটতি দূর হয়:
দইয়ে প্রচুর মাত্রায় মজুত রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং জিঙ্কের মতো উপকারি উপাদান। তাই তো নিয়মিত একবাটি করে দই খাওয়া শুরু করলে শরীরে নানাবিধ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টসের ঘাটতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা যায় কমে। ফলে শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।


হাড়ের সুস্থতা:
দইয়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকে। হাড়ের গঠন মজবুত রাখতে যা অত্যাবশকীয়। অস্টিওপোরোসিসের মত হাড়ের রোগও প্রতিহত করতে পারে দইয়ের বিভিন্ন উপাদান।


পুষ্টিকর উপাদানের চাহিদা মেটে:
নিয়মিত দই খাওয়া শুরু করলে শরীরে পটাশিয়াম, ফসফরাস এবং আয়োডিনের ঘাটতি দূর হতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ভিটামিন বি৫ এবং বি১২-এর মাত্রাও বাড়তে থাকে। আর এই সবকটি উপাদানই যে নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে, তা কি আর বলে দিতে হবে! এই যেমন ধরুন ভিটামিন বি১২ লোহিত রক্ত কণিকার উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নার্ভাস সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।


উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ:
দই মধ্যস্থ পটাসিয়াম উচ্চরক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।


ক্যান্সারের মতো রোগকে দূরে রাখে :
বেশকিছু গবেষণায় দেখা গেছে, দইয়ে উপস্থিত ল্যাকটোব্যাসিলাস এবং স্ট্রেপটোকক্কাস থ্রেমোফিলাস নামক দুটি ব্যাকটেরিয়া শরীরের ভেতরে ক্যান্সার সেলের জন্ম আটকে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ক্যান্সারের মতো মারণ রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। 


ইম্যুনসিস্টেমের দক্ষতা বৃদ্ধি:
রোজ দই খেলে শরীরের ইম্যুনসিস্টেম আরও দক্ষ হয়ে ওঠে। রক্তে বৃদ্ধি পায় শ্বেত রক্ত কণিকা, যা রোগ প্রতিরোধের জন্য অনন্য।
ত্বকের যত্ন:
দইয়ের অন্যতম উপাদান ল্যাকটিক অ্যাসিড। এই ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের মৃত কোষগুলি অপসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে।


রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
দইয়ে উপস্থিত উপকারি ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে দেয় যে সংক্রমণ থেকে ভাইরাল ফিবার, কোনও কিছুই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ফলে সুস্থ জীবনের পথ প্রশস্ত হয়।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Upma tewari 10 months ago

Thanks

Logo

Upma tewari 10 months ago

Thanks