shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

ম্যাচিউর স্কিনে মেকআপ করবেন কীভাবে?

নিজেকে সুন্দর ও পরিপাটি দেখাতে কিছুটা ইফোর্ট তো দিতেই হয়, সেটা যে বয়সেই হোক না কেন।

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 229

Logo

পোস্ট আপডেট 2021-01-18 13:11:18   10 months ago

আর বয়স যদি একটু বেশি হয় তবে সেটার জন্য দরকার বাড়তি কিছু। নিজেকে পরিপাটি করে রাখতে মেয়েরা কমবেশি সবাই মেকআপ করে। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনেকেই মনে করে, বয়স তো হয়েই গিয়েছে, এখন আর কিসের মেকআপ? মেকআপ মানে শুধু বাইরের লোকের কাছে সুন্দর দেখানো নয়। মেকআপ করাটা আপনার নিজের কাছে নিজেকেই সুন্দর করে গুছিয়ে রাখাও বটে। একই সাথে আপনার মনে তারুণ্য ধরে রাখতে, কনফিডেন্স বিল্ডআপ করা সহ সর্বোপরি আপনার পুরো মানসিক অবস্থার ওপর একটা পজিটিভ প্রভাব ফেলতে পারে মেকআপ। কিন্তু তরুণ বয়সে ত্বকে মেকআপ যতটা সহজে করা যায় বা যতটা সহজেই মেকআপ বসে যায়, একটু ম্যাচিউর ত্বকে কিন্তু সেভাবে কাজটা করা যায় না। তাই আজকে আমরা জানব, ম্যাচিউর স্কিনের মেকআপ সম্পর্কে। আপানাদের যাদের ম্যাচিউর স্কিন, তাদের এই টিপসগুলো অবশ্যই কাজে লাগবে। 

স্কিন প্রিপারেশন
মেকআপের জন্যেই হোক বা স্কিনকে ভালো রাখার জন্যেই হোক, নিয়মিত এক্সফোলিয়েশন এবং টোনিং আমাদের ত্বকের জন্য খুব জরুরী। এতে ত্বক থাকে সুন্দর। মেকাআপের আগে স্কিনকে এক্সফোলিয়েট করে নিতে হবে। মুখ ধুয়ে  আবার ময়েশ্চারাইজার অ্যাপ্লাই করতে হবে। ম্যাচিউর স্কিনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে- ত্বক শুষ্ক কিংবা ড্রাই হয়ে যাওয়া। তাই ভালো ফর্মুলা যুক্ত হাইড্রেটিং একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। আর দিনের বেলায় মেকআপের আগে স্কিনে সানস্ক্রিন  লাগাতে হবে, কিংবা ভালো মানের এসপিএফ যুক্ত ময়েশ্চারাইজারও ব্যবহার করতে পারেন।


আই-ক্রিম
ম্যাচিউর স্কিনে চোখের নিচে ফাইন লাইনস, ডার্ক সার্কেল, রিংকেলস সহ এ ধরনের সমস্যাগুলো সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। তাই চোখের নিচের এই সমস্যাগুলোকে দূর করতে আই-ক্রিম হচ্ছে সবচেয়ে ভালো একটি অপশন। শুধু মেকআপের আগেই নয়, নিয়মিত আই-ক্রিম ব্যবহার আপনার চোখের নিচের এ সমস্যাগুলোকে কনট্রোল করবে।  ভালো মানের হাইড্রেটিং একটি আই-ক্রিম ব্যবহার করলে আপনার আই-মেকআপও হবে ফ্ললেস।

প্রাইমার
মেকআপের সময় একটি স্টেপ থেকে অন্য স্টেপে যাওয়ার জন্য ৩/৪ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়। এতে সুন্দর ফিনিশিং পাওয়া যায়। ময়েশ্চারাইজিং এর কিছুক্ষণ পর স্কিনে প্রাইমার ব্যবহার করতে হবে। একটু বয়স হলে আমাদের ত্বকের পোরসগুলো দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। তাই প্রাইমার ব্যবহার এইজড স্কিনের জন্য খুবই জরুরী। প্রাইমার ব্যবহারের ফলে ওপেন পোরস অনেকটাই মিনিমাইজ হয়ে যায়, স্কিন টোন অনেকাংশে ইভেন করে তোলে, রিংকেল, ফাইনলাইনসগুলো অনেকটা ব্লার করে দেয়। আর প্রাইমার ব্যবহারের পর ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে কেকিও দেখায় না।এখন কথা হচ্ছে, কোন প্রাইমার ম্যাচিউর স্কিনের জন্য ভালো? স্মুদ বেস তৈরির জন্য প্রাইমার এবং ফাউন্ডেশন এক ধরনের হওয়া জরুরি। তাই, আপনি যদি ওয়াটার বেসড ফাউন্ডেশন ব্যবহার করেন, তাহলে প্রাইমারও ওয়াটার বেস হতে হবে। অয়েল বেসড বা হাইড্রেটিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে প্রাইমারও অয়েল বেসড বা হাইড্রেটিং হতে হবে।


ফাউন্ডেশন
ম্যাচিউর স্কিনে ফাউন্ডেশন লাগানোর মূলমন্ত্র হচ্ছে, “দ্যা লেস ইজ মোর”।  ম্যাচিউর স্কিনের জন্য লাইট ওয়েট ফাউন্ডেশন সবচেয়ে ভালো কাজ করে। ফাউন্ডেশন লাগাতে হবে খুব অল্প পরিমাণে এবং সময় নিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে। ব্লেন্ডিং যত যত্ন সহকারে করবেন মেকআপ ততই নিখুঁত হবে। মুখে যদি মেছতা বা তেমন কোনো পিগমেন্টেশন না থাকে, তাহলে লিকুইড ফাউন্ডেশন হবে বেস্ট অপশন। আর যদি মেছতা বা অন্য কোন বড় ধরনের ব্লেমিশ থেকে থাকে, তাহলে ক্রিম ফাউন্ডেশন হবে আপনার জন্য ভালো।রিংকেল এবং ফাইন লাইনস এর সমস্যা বেশি থাকলে ফাউন্ডেশন এপ্লাই বেশ ঝামেলার হ্য্যে থাকে। সেক্ষেত্রে সিলিকন বেসড প্রাইমার এবং সিলিকন বেসড ফাউন্ডেশন অনেকটা সাহায্য করে। তবে যদি আপনার স্কিনে এ ধরনের ফাউন্ডেশন স্যুট না করে, সেক্ষেত্রে হালকা হাতে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে কিউ টিপ দিয়ে ব্লট করতে হবে পাউডার লাগানোর আগে। আর ফাইনলাইনস যদি খুব বেশি গভির না হয়ে থাকে তাহলে, হাত দিয়ে রোলিং মোশনে ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিতে হবে। আর সবশেষে ফাউন্ডেশন খুব ভালো ভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Sony Akter 10 months ago

So nice

Logo

Upma tewari 10 months ago

Nice