shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

ইসুবগুলের ভুসির স্বাস্থ্য উপকারিতা

ইসবগুল কম-বেশি আমরা সবাই চিনি। যুবক থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবাই বোধহয় ইসবগুলের নাম শুনেছে। কারণ, এমন মানুষ খুব কম পাওয়া যাবে যে কখনো কোষ্ঠবদ্ধতায় ভোগেনি।

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 279

Logo

পোস্ট আপডেট 2021-01-18 14:21:07   10 months ago

আমাশয়, সুতিকা রোগ, শ্বাসকষ্ট এবং মাথাঘোরা প্রভৃতি ভালো হয়। আমাদের নিত্যদিন খাবারে তৈলাক্ত, অধিক মসলাযুক্ত, এলার্জিক খাদ্য, ভাজাপোড়া খেলে নিশ্চিত কোষবদ্ধতা হবে। আর কোষ্ঠবদ্ধতা হলে পেটে গ্যাস উৎপন্ন হয়। বুক জ্বালাপোড়া করে।ঘুমানোর আগে আমরা অনেকে ইসুবগুেলের ভুসি খেয়ে থাকি। ইসুবগুলের ভুসি রাতের খাবারের পরে অনেকক্ষণ ভিজিয়ে না রেখে পানি দিয়ে গুলিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে ফেলতে হয়। এতে ভালো ফল দেয়।

চলুন দেখে নেই ইসুবগুলের ভুসি কী কী উপকার দেয়:

১. পেটের প্রায় সব ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ইসুবগুল হতে পারে এক উত্তম ওষুধ। পেট ঠাণ্ডা রাখতে ইসুবগুল ভুসির ভূমিকা অনন্য।

২. তাছাড়া পেট ব্যথা দূর করতে ইসুবগুলের ভুসি খেতে পারেন। এর মিউসিলেজিনাস ভূমিকার কারণে আলসারজনিত পেট ব্যথা কম মনে হয়।

৩.আঁশসমৃদ্ধ খাবার ইসুবগুল। নিয়মিত ইসুবগুলের ভুসি খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। আমাশয় কিংবা অর্শ রোগ থেকে দূরে থাকতে পারবেন। দ্রুত ফল পেতে দইয়ের সঙ্গে ইসুবগুল মিশিয়ে খেতে পারেন।

৪.কোলেস্টেরল ও উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং ওজন কমাতে চাইলে ইসুবগুলের ভুসি খেয়ে যান। পাশাপাশি টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এটা এক দারুণ পথ্য।

৫.ইসবগুলে পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যামিনো এসিড রয়েছে। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। এক গ্লাস পানিতে চিনি বা গুড় মিশিয়ে খালি পেটে এ ভুসি খান। প্রতিদিন দুই থেকে তিন চা চামচ ইসবগুল ভুসি এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে দুই থেকে চারবার খেতে পারেন, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় সমাধান পাবেন।

৬.ডায়রিয়া উপশমে বেশ উপকারে আসে ইসুবগুল ভুসি। এজন্য ৭-২০ গ্রাম ভুসি দিনে দুবার খাওয়া যেতে পারে।

৭.পাইলস রোগীদের জন্য সুখবর। এ রোগে আক্রান্ত হলে প্রতিদিন তিন থেকে চারবার ইসুবগুলের ভুসির শরবত খেয়ে যান।




কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Sony Akter 10 months ago

So nice

Logo

Upma tewari 10 months ago

Thanks