shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

হার্ট সুস্থ রাখতে ১০ খাবার

হার্ট বা হৃদযন্ত্র এমন এক অঙ্গ যা কিনা আমাদের সুস্থ রাখার জন্য দিনরাত কাজ করে যায়। কিন্তু বাইরে থেকে দেখা যায় না বলে আমাদের হার্ট কী অবস্থায় আছে তা পরীক্ষা-নীরিক্ষা ছাড়া বোঝা সম্ভব হয় না।

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 246

Logo

পোস্ট আপডেট 2021-01-24 16:30:12   10 months ago

শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন এ অঙ্গের যত্ন না নিলে যেকোন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতার আশঙ্কা থাকে। দেখা দিতে পারে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া সহ আনুষাঙ্গিক নানা উপসর্গ। অথচ একটু সচেতন হলেই কিন্তু হার্ট সুস্থ-সবল রাখা যায়। অসুস্থ হওয়ার আগে এর প্রতিকার জানা থাকলে অনেক দূরঘটনা এড়ানো যায়। আর এ জন্য জানা চাই কিছু নিয়ম-কানুন। হার্ট সুস্থ রাখতে সুশৃঙ্খল জীবনযাপনের পাশাপাশি মানতে হবে খাদ্যতালিকা।

হার্টের সুস্থতার জন্য খাবারের একটি তালিকা নিচে দেয়া হলো।
১. ডালিম বা বেদেনাঃ রক্তে এলডিএল কোলেস্টেরল (লো ডেনসিটি লিপো প্রোটিন) মাত্রা কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হার্টের ব্লকেজ অপসারণে সহায়ক।
২. পেঁপেঃ হার্টের ক্ষতিগ্রস্থ (ড্যামেজড) আর্টারিগুল সরিয়ে বা সজিব করে তুলে, আর্টারির অসুস্থতা প্রতিরোধ এবং উচ্চ রক্তচাপ কমায়।
৩. অর্গানিক কারকিউমিন বা হলুদঃ একে প্রাকৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী প্রদাহ প্রতিরোধক বলা হয়। রক্তে এলডিএল কোলেস্টেরল (লো ডেনসিটি লিপো প্রোটিন) মাত্রা কমায়, রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে, আর্টারির অসুস্থতা প্রতিরোধ করে এবং রক্তে চিনির (সুগার) মাত্রা কমায়। 
৪. প্রাকৃতিক ভাবে বেড়ে উঠা মুরগির ডিমঃ আমিষের অন্যতম উৎস ডিম ভিটামিন ডি, কে২ ও সেলিনিউমসহ প্রকৃতির বহুমুখী খাদ্যগুণে ভরপুর। দেহে পুষ্টি ও ওজন নিয়ন্ত্রণ মান যোগান দেয়। এ ছাড়া এর সঠিক মাত্রায় ক্যালসিয়াম শোষণ ও বন্টন আর্টারি ব্লক প্রতিরোধ করে। 
৫. ত্রিল অয়েল (বিশেষ প্রজাতির ক্ষুদ্র সামুদ্রিক চিংড়ি মাছের তেল): এতে রয়েছে ইপিএ ও ডিএইচএ ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড যা মাছের তেলের চেয়ে ৫০ ভাগ বেশি কার্যকর। রক্তে এলডিএল কোলেস্টেরল (লো ডেনসিটি লিপো প্রোটিন) এবং ট্রাইগ্লিসারাইডস মাত্রা কমায়। প্রদাহ প্রতিরোধক ও অ্যান্টিওক্সিডেন্ট।
৬. স্পিনাকব পালংশাকঃ অর্গানিক ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম সবচেয়ে ভালো উৎস যা হার্ট সুস্থ রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
৭. গ্রাসফেড (প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠা) গরুর গোস্ত, ঘি ও বাটারঃ প্রচলিত চিকিৎসাব্যবস্থায় ক্ষতিকর স্যাচুরেটেড ফ্যাটের কারনে এসব খেতে নিষেধ করা হয়। কিন্তু গ্রাস ফেড গোস্ত খেলে এল-কারনিটিন, COQ10 পাওয়া যাবে যা শক্তি থেকে উৎপাদন হার্ট মাসলসের জন্য খুবই জরুরি। ঘি থেকে পাওয়া যাবে কে২ ও সিএলএ (কনজুগেটেড লিনোলিয়াম অ্যাসিড), ঘি হচ্ছে প্রোবায়োটিক যা কোলনের ভালো ব্যাকটেরিয়া জন্য খুবই প্রয়োজন। ঘি রক্তে এলডিএল কলেস্টেরল (লো ডেনসিটি লিপো প্রোটিন) মাত্রা কমায় এবং মস্তিস্ক ও স্নায়ু অধিক কার্যকর করে। 
৮. কাঁচা রসুনঃ হার্ট সুরক্ষায় অন্যতম প্রাকৃতিক ওষুধী উপাদান। রক্তে এলডিএল কোলেস্টেরল (লো ডেনসিটি লিপো প্রোটিন) মাত্রায় কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, আর্টারিতে প্লাক সৃষ্টির মাত্রা কমায়। মধু দিয়ে খাওয়া যেতে পারে।  
৯. মেডিসিন্যাল কোকোনাট অয়েলঃ প্রাকৃতির এক বিস্ময়কর ওষুধ। যেকোনো ডিজেনারেটিভ ডিজিজে এটি প্রযোজ্য। এটি প্রায় সব ক্ষেত্রে ব্যবহারে আমি পরামর্শ প্রদান করি। রক্তে কোলেস্টেরল অনুপাত ঠিক রাখে। হার্ট মাসলসের জন্য এটি একটি প্রস্তুতকৃত শক্তি।

১০. হার্বাল টিঃ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি এজিং, প্রদাহ প্রতিরোধে, ডায়াবেটিস প্রতিরোধী, উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধী। অন্য দিকে ব্ল্যাক টি দেহে অধিক মাত্রায় অ্যাসিড উৎপন্ন করে।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Md:bayazid Hossain 9 months ago

Thanks

Logo

Afrujaakter Chadni 9 months ago

Thanks