shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

শিশুর জন্মাবার পর করণীয়

শিশুর যত্ন কিভাবে করবেন ? শিশুদের স্বাস্থ্য রক্ষার উপায়, মানব শিশুরা যারা সদ্যই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছে, তাদের মধ্যে যারা রুগ্ন বা স্বাস্থ্যহীন তাদের সুস্থ রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা উচিত। শিশুপালন ও শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়ে প্রত্যেক ব্যাক্তির ওয়াকিবহাল থাকা দরকার।

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 232

Logo

পোস্ট আপডেট 2021-02-19 20:38:40   9 months ago


  • শিশুর জন্ম হওয়ার পরে তার স্বাস্থ্যরক্ষার ভার পড়ে দিদিমা ও ঠাকুরমার উপর। জন্মের পরে শরীর পরিষ্কার করা ও নাভিচ্ছেদন প্রথম কর্তব্য তা নার্স ও ধাই-এরা করে থাকেন।
  • সাধারণ গ্রাম অঞ্চলে, দিদিমা, ঠাকুরমা, মাসীমা, পিসিমার হাতেও পরবর্তীকালে শিশুর লালনপালন ও স্বাস্থ্যরক্ষার ভার পড়ে।
  • প্রসবান্তে মা শিশু সেবায় অক্ষমই থাকে, শিশুকে দুধ দেওয়াই তখন একমাত্র কাজ। তখন শিশুর সঙ্গে মায়েরও শুশ্রুষার ও স্বাস্থ্য রক্ষার ব্যবস্থা অভিভাবকদের করতে হবে।
  • দুই থেকে তিন মাস পরে মা শিশুর লালনপালনের ভার নিতে পারে। শিশুর জন্মদিনের সংস্কার অর্থাৎ শিশু যাতে স্বাস্থ্যবান, বুদ্ধিমান, বিদ্যাবান ও সুন্দর হয়ে পৃথিবীর সেবা করে ধন্য হতে পারে তার জন্য জন্মের দিন থেকেই তাকে সাহায্য করা।  

শিশুর যত্ন কিভাবে করবেন ? শিশুদের স্বাস্থ্য রক্ষার উপায়, মানব শিশুরা যারা সদ্যই পৃথিবীতে অবতীর্ণ হয়েছে, তাদের মধ্যে যারা রুগ্ন বা স্বাস্থ্যহীন তাদের সুস্থ রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা উচিত। শিশুপালন ও শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়ে প্রত্যেক ব্যাক্তির ওয়াকিবহাল থাকা দরকার।প্রসব পরে শিশুর যত্ন:
  • সদ্যোজাত শিশুকে কোলে তুলে নেবে অন্য কোন মহিলা, যার হাত পরিষ্কার, গাত্র স্বচ্ছ, অঙ্গুলির নখ কাটা ।
  • সুস্থ শরীর ও মন, শিশুর প্রসবকালীন কষ্ট দূর করবার জন্য শিশুর গাত্রে সামান্য তৈল মর্দন করে, সমস্ত শরীরে অল্প অল্প শীতল (শীতকাল হলে উষ্ণ জল) জল দ্বারা ধুয়ে, পাতলা ও নরম কাপড়ে মুছিয়ে দিবে।
  • পরে শীতকাল হলে গরম সুতীবস্ত্র দ্বারা আচ্ছাদিত করতে হবে এবং গরম কাল হলে পাখা দ্বারা মৃদু হাওয়া করতে হবে।
  • এইভাবে এর ঘণ্টা পরে তার মুখের তালু ঔষ্ঠ কণ্ঠ-জিহ্বা সচ্ছ তুলা দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে। মুখ পরিষ্কার করে ৫ ফোটা ঘৃত ও দশ ফোটা মধু একত্রে মিশিয়ে অল্প মাত্রায় চামচ দিয়ে শিশুর মুখে। ২/১ ঘণ্টা অন্তর দিতে হবে। য
  • খন শিশু মুখ খুলে জিহ্বা ওষ্ঠ চুষিতে থাকবে তখন মাতৃস্তন্য দিতে হবে। মাতৃস্তন্য পানে শিশুর নেশা হবে এবং নিদ্রিত হয়ে পড়িবে।
  • শিশুকে শুষ্ক, পরিচ্ছন্ন, আলোক ও বায়ুযুক্ত বৃহৎ কামরায় রাখতে হবে। প্রসুতির শয়ন, আহার, নিদ্রা, পায়খানা ও প্রসাব করার ব্যবস্থা সুচারু রূপে করতে হবে।
  • শিশুকে প্রসূতিগৃহেই ১মাস পর্যন্ত রাখতে হবে। পরে শিশুর পরিচর্যা ও  স্বাস্থ্য রক্ষার ভার মায়ের উপর দিতে হবে।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Sony Akter 9 months ago

Thanks

Logo

Asmaul hosna 9 months ago

Nice

Logo

Hossain 9 months ago

Welcome