shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

গর্ভধারণের প্রথম মাসে যে যে খাবার খাওয়া উচিত

গর্ভাবস্থার পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল পাওয়ার সময়, আপনি প্রায় আড়াই সপ্তাহ গর্ভবতী । তাই আপনি যদি গর্ভধারণ করতে চান, তবে আপনাকে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া শুরু করতে হবে এবং জাঙ্ক ফুড, তামাক, অ্যালকোহল এবং ড্রাগস এড়াতে হবে । গর্ভাবস্থায় খাবারের তালিকায় প্রথম মাসে প্রচুর ফল এবং সবজি যোগ করা উচিত । সুস্থ গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করার জন্য আপনার প্রথম ত্রৈমাসিকে খাবারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত এমন খাবারগুলি এখানে দেওয়া হল:

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 241

Logo

পোস্ট আপডেট 2021-02-20 13:40:41   9 months ago

১) দুগ্ধজাত পণ্য

দুগ্ধজাত পণ্যগুলি (শক্তিবর্ধকগুলি সহ) ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং ফোলিক অ্যাসিডের একটি দুর্দান্ত উৎস । আপনার প্রথম-মাসের গর্ভাবস্থায় খাবারের মধ্যে দই, দুধ, এবং শক্ত চীজ বা পনির অন্তর্ভুক্ত করু

২) ফোলেট সমৃদ্ধ খাবার

ফোলেট বা ফোলিক অ্যাসিড শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের যথাযথ বিকাশের জন্য অপরিহার্য, যা পরবর্তীতে মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ডের কোষে বিকশিত হয় । ফোলেট-সমৃদ্ধ খাবার অথবা ফোলিক অ্যাসিডের সম্পূরক আপনার খাবারের তালিকায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ । ফোলেট সমৃদ্ধ খাবারের উদাহরণ হল- গাঢ় সবুজ রঙের শাকসবজি যেমন পালং শাক এবং বাঁধাকপি, শতমূলী, লেবুবর্গীয় ফল, বীনস, মটরশুটি, মুসুর ডাল, আভোকাডো, ব্রাসিলস স্প্রাউট (ছোট্ট বাঁধাকপি) এবং ভেন্ডি বা ঢ্যাঁড়শ ।

৩) গোটা শস্যদানা (হোল গ্রেইন)

গোটা শস্যগুলি কার্বোহাইড্রেট, ডায়েটযোগ্য ফাইবার, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স এবং আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও সেলেনিয়ামের মতো খনিজের স্বাস্থ্যকর উৎস । এইগুলি আপনার শিশুর স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধি এবং উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য । গোটা শস্যের উদাহরণ হল বার্লি, বাদামী চাল, বাজরা, ডালিয়া, সমগ্র আটারপাওরুটি বা পাস্তা, মিলেট, এবং ওটামিল ।

৪) ডিম এবং হাঁস-মুরগির মাংস

ডিম প্রোটিন, ভিটামিন এ, বি২, বি৫, বি৬, বি১২, ডি, ই ও কে, এবং ফসফরাস, সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং জিঙ্কের মতো খনিজগুলির একটি ভাল উৎস । পোল্ট্রি (হাঁস-মুরগির) এছাড়াও প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস । গর্ভাবস্থার প্রথম মাসে ডিম ও হাঁস-মুরগির মাংস খাওয়া ভ্রূণের সুস্থ বিকাশকে নিশ্চিত করবে ।

৫) ফল

খরমুজ, আভোকাডো, ডালিম, কলা, পেয়ারা, কমলালেবু, মিষ্টি লেবু, স্ট্রবেরি এবং আপেলের মতো ফলগুলি গর্ভজাত শিশুর বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে

৬) সবজি

প্রচুর পরিমাণে রঙিন সবজি খাওয়া নিশ্চিত করে যে, আপনি আপনার ক্রমবর্ধমান শিশুর জন্য অপরিহার্য পুষ্টির বিস্তৃত পরিসর পাবেন । উদাহরণ- ব্রোকোলি, বাঁধাকপি, পালং শাক, গাজর, কুমড়ো, মিষ্টি আলু, টমেটো, ক্যাপসিকাম, ভুট্টা, সজনের ডাঁটা, বেগুন ইত্যাদি ।

গর্ভবতী মায়ের আদর্শ খাবার রুটিন

উপরোক্ত উপাদানগুলো গর্ভবতী মায়ের নিত্যদিনের খাবার তালিকায় অবশ্যই থাকা উচিত। কিন্তু একই সাথে গর্ভাবস্থায় মায়ের নানারকম শারীরিক সমস্যা থাকতে পারে। সাধারণ সমস্যাগুলোর মধ্যে কিছু হলো সকালে ঘুম থেকে উঠার পর বমি ভাব যাকে বলে মর্নিং সিকনেস, ক্ষুধামন্দা, অরুচি, কোষ্ঠকাঠিন্য। এগুলো বিবেচনা করে নিচে গর্ভবতী মায়ের জন্য একটি আদর্শ খাবার রুটিন দেয়া হলো:


সকালঃ

মর্নিং সিকনেসের জন্য সকালে ভারী খাবার না খাওয়াই ভালো। উঠেই সামান্য বিস্কুট বা মুড়ি এ জাতীয় শুকনা খাবার ও পানি খেয়ে কিছুক্ষন হাঁটাচলা করে নেওয়া ভালো। এরপর ১-২টি রুটি সাথে ১ বাটি সবজি/ডাল/ তরকারি এবং একটি ডিম খাওয়া যেতে পারে।

সকাল ১১ টার দিকে ১ গ্লাস দুধ বা ফলমূল খেতে পারেন। গম ও ভুট্টার তৈরী ছাতুতে প্রচুর ফাইবার, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ও মিনারেলস আছে। হালকা নাস্তা হিসেবে এটা খেতে এপ্রেন।

দুপুরঃ

দেড় থেকে ২ কাপ ভাত বা ৩-৪ তা রুটি খাওয়া উচিত ভারী খাবার হিসেবে। এর সাথে সবজি/ ডাল/ তরকারি এবং অবশ্যই ৫০-৭০ গ্রাম মাছ/ মাংস খাওয়া উচিত। সাথে সালাদ খেতে পারেন। তবে একটি কাঁচা মরিচ খেতে ভুলবেননা। খাওয়ার পরে দই খেলে তা হজমে সাহায্য করবে।

বিকেলঃ

বিকেলে খেতে পারেন স্যুপ, কাস্টার্ড বা বাড়িতে তৈরী যেকোনো নাস্তা। বাহিরের খাবার কিংবা চা-কফি খাওয়া মোটেই উচিত নয়।

রাতঃ

রাতের খাবার দুপুরের খাবারের অনুরূপ। তবে শাক জাতীয় খাবার রাতে খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে। তাই রাতে শাক না খাওয়াই উত্তম।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Sony Akter 9 months ago

ধন্যবাদ