shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

ওজন কমানোর সহজপাঠ

অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য স্বাস্থ্য সচেতনরা কত কিছুই না করে থাকেন। বিশেষ করে পরিমিত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করে ডায়েট কন্ট্রোল করা এর অন্যতম উপায়।

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 172

Logo

পোস্ট আপডেট 2021-04-21 15:14:44   7 months ago

আপনার শরীরে অতিরিক্ত মেদের জন্য ভয় যেমন কাজ করে, তেমনই সময়ের অভাব হতাশা ও বিরক্তিও আনে। তবে, এত কিছু করার সময় না পেলেও খুব সাধারণ কিছু খাবারের শরণ নিলেও এই মেদকে জব্দ করা যায়। দেখে নিন সেগুলি কী কী-


আপেল


ওজন কমাতে যে যে খাবারগুলি বিশেষ ভূমিকা নেয়, সেই লিস্টের একেবারে উপরের দিকে আপেলকে না রাখলেই নয়! কারণ, এই ফলটি ফাইবারে ঠাসা, সঙ্গে মজুত রয়েছে নানা ভিটামিন-মিনারেলও। এই কারণেই তো প্রতিদিন একটা করে আপেল খেলে ওজন কমতে যেমন সময় লাগে না, তেমনই শরীরও রোগমুক্ত থাকে। তাই না কথায় বলে, 'একটা করে আপেল খান, আর ডাক্তারের ঠিকানা ভুলে যান!


দই
হজম ক্ষমতা বাড়লেও কিন্তু ওজন কমে। তাই তো নিয়মিত দই খাওয়া উচিত। কারণ, এতে উপস্থিত উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলি হজম ক্ষমতাকে অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে প্রদাহের মাত্রাও কমে। ফলে মেদ ঝরতে সময় লাগে না। তাই মাস খানেকের মধ্যে যদি ওজন কমানোর ইচ্ছা থাকে, তাহলে প্রতিদিন লাঞ্চের শেষে এক বাটি করে টক দই খেতে ভুলবেন না যেন!


ডিম
ঝটপট ওজন কমাতে চান তো কাল থেকেই ব্রেকফাস্টে দুটো করে ডিম খাওয়া শুরু করেন। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, যা বহুক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারে বারে মুখ চালানোর ইচ্ছা আর থাকে না। তাই শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরির প্রবেশ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না। তবে ডিমে প্রোটিন ছাড়াও আরও অনেক উপকারী উপাদান রয়েছে, যা নানা ভাবে শরীরের উপকারে লাগে।


গ্রিন টি
গ্রিন টি কালো চায়ের তুলনায় কম প্রসেসিংয়ের মধ্যে দিয়ে যায়, ফলে এর মধ্যে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডান্ট। ইদানীং গ্রিন টি ফেস মাস্ক, ক্রিম ইত্যাদিতে তো বটেই, কেক-বিস্কিট তৈরিতেও ব্যবহার হচ্ছে। বলা হয়, নিয়মিত গ্রিন টি সেবন করলে নাকি শরীরে ফ্যাট জমার হার কমে, বেড়ে যায় মেটাবলিজ়মের হার। সম্ভব হলে পাতা চা কিনে ব্যবহার করুন, টি ব্যাগের চেয়ে পাতা চায়ে অনেক বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডান্ট মেলে।

আমলকি



আমলকি যে ভিটামিন সি-তে ভরপুর এবং খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে, তা আমরা জানতাম৷ সম্প্রতি প্রমাণিত হয়েছে, আকাই বেরি, গোজি বেরি, ব্লুবেরির মতো সুপারহিট এবং মূল্যবান ফলের চেয়ে আমলকীতে বহুগুণ বেশি অ্যান্টিঅক্সিডান্ট মেলে৷ মহিলাদের আরও বেশি করে আমলকী খাওয়া প্রয়োজন কারণ তা হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে ও রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর৷ হরমোনের সমস্যা হলেই শরীরে মেদ জমার একটা প্রবণতা দেখা দেয়, সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ওজন কমবে৷ তাই নিশ্চিন্তে প্রতিদিন আমলকী খান৷

আমন্ড
আমন্ডে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ই, ম্যাগনেশিয়াম আর তামা থাকে৷ বাদামে ক্যালোরির পরিমাণ খুব একটা কম নয়, কিন্তু তাও যাঁরা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাঁদের খাদ্যতালিকায় আমন্ড ও আখরোট রাখা যেতেই পারে৷ আমন্ড বা আখরোট পেট ভরিয়ে দেয় তাড়াতাড়ি, ফলে বেশি খাওয়া আটকানো যায়৷ যাঁদের দুধ সহ্য হয় না, তাঁরা জল দিয়ে আমন্ড পিষে তারপর ছেঁকে নিয়ে আমন্ড মিল্কও খেতে পারেন৷ বাদাম কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া ভালো নয়, নিউট্রিশনিস্টের পরামর্শ নিয়ে খান৷ সবচেয়ে ভালো হয় যদি ওটমিল, কর্নফ্লেক্সের সঙ্গে আমন্ড খেতে পারেন তা হলে৷


বেল পেপার
ইয়েলো, রেড বা গ্রিন। বেল পেপার যতই আমরা সবজি বলে মনে করি, তা কিন্তু আসলে ফলের মধ্যেই পড়ছে। ক্যাপসিকাম শ্বেত রক্তকণিকা বাড়াতে সাহায্য করে, যা ক্যালোরি বার্ন করে ব্রাউন ফ্যাট বাড়ায়। ক্যাপসিকাম সাধারণত তিন রঙের দেখা যায়। লাল, হলুদ এবং সবুজ। এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, ফাইবার এবং বিটা ক্যারোটিন প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।


পালং শাক
ওজন কমাতে চান? তবে পালং শাক খান। পুষ্টিতে ভরপুর পালংয়ের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধী তাই গুণের কারণে এটি সুপারফুড হিসাবেও পরিচিত। সবুজ পাতার এই শাক দ্রুত পেটের চর্বি কমাতে পারে। পালংয়ে ভিটামিন ও মিনারেল আছে। এতে ক্যালরি থাকে কম। তাই ওজন কমাতে খাবারে বেশি করে পালং রাখতে পারেন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যাদের ওজন বেশি তারা নিয়মিত পালম শাক খেলে ওজন কমে যাবে।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Jannatul ferdousi 7 months ago

Tnxs

Logo

Sony Akter 7 months ago

Thanks