shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

শিশুর ভালো ঘুমের অভ্যাস গড়ে তোলার উপায়

শিশুরা ঘুমাতে চায় না সহজে। ফলে তাদের ঘুমের নির্দিষ্ট অভ্যাস গড়ে তোলা সহজ নয়। নবজাতক থেকে শুরু করে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবার জন্যই রাতে নির্ভেজাল ঘুম অত্যন্ত জরুরি। সন্তানের ঘুমের ঘাটতি মেটাতে তাই যখনই সে ক্লান্ত হয় তখনই তাকে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া হয়। আর অসময়ে ঘুমানোর কারণে যখন সবার ঘুমানোর সময় তখন সে আর ঘুমাতে চায় না।

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 341

Logo

পোস্ট আপডেট 2021-05-05 01:04:41   6 months ago

শিশুদের ঘুমকে অনেকেই বেশি গুরুত্ব দেন না। কিন্তু জানেন কি, আপনার শিশুর সুন্দর জীবনের চাবিকাঠি লুকিয়ে আছে এই ঘুমেই। শিশুদের পর্যাপ্ত ঘুম না হলে, তাদের শরীরে লেপটিন হরমোনের ক্ষরণ কমে যায়। এই হরমোনের কাজ হল খিদে নিয়ন্ত্রণ করা। এর ক্ষরণ কমে গেলে, মস্তিষ্ক শরীরকে খিদে নিয়ন্ত্রণ করার সিগন্যাল পাঠাতে পারে না। ফলে বাচ্চারা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খেতে থাকে।ফলে সৃষ্টি হয় এই সমস্যা। এটি শুধু যে শারীরিক সমস্যারই জন্ম দেয় না, একই সঙ্গে মানসিক সমস্যাও ডেকে আনে।

শিশুর এবং পরিবারের অন্যদের পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করতে হলে তার ঘুমকে নির্দিষ্ট সময়ে বেঁধে নিতে হবে, সেটাকে শিশুর অভ্যাসে পরিণত করতে হবে।




শিশুদের  ঘুমানোর আগের রুটিন:

গোসল, কাপড় বদলানো আর দাঁত মাজা ঘুমের জন্য প্রস্তুতি ইঙ্গিত করে। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে একই সময়ে শিশুকে গোসল না করালেও অন্তত দাঁত ব্রাশ করিয়ে পরিষ্কার কাপড় পরিয়ে ঘুম পাড়াতে নিয়ে গেলে ক্রমেই সেটা শিশুর অভ্যাসের অংশ হয়ে আসবে। ফলে ঘুম আসবে সহজেই।


রাতের যে খাবার খাওয়াবেন:

শিশুর রাতের খাবারটা ঘুমানো দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে হতে হবে। এর আগে খেলে শিশুর আবার ক্ষুধা লেগে যেতে পারে কিংবা ক্ষুধার কারণে ঘুম ভেঙে যেতে পারে। আবার ঘুমানোর কিছুক্ষণ আগেই রাতের খাবার খেয়ে শিশু খেলতে আগ্রহী হয় বেশি, ঘুমাতে চায় না।


শোবার ঘরের পরিবেশ:

শিশুদের ঘুম পাতলা হয়, সামান্য শব্দেই তার ঘুম ভেঙে যাওয়া সম্ভব। আবার ঘরে আলো থাকলে সেটাও তার ‍ঘুমের সমস্যা তৈরি করবে। তাই শিশুর শোবার ঘরটায় যাতে ঘুমানোর জন্য আরামদায়ক একটা পরিবেশ থাকে সেদিয়ে খেয়াল রাখতে হবে।


ঘুমের নির্দিষ্ট সময় ধরে রাখা:

গতরাতে অনেক যন্ত্রনা করেছে, ঘুমায়নি বলে আজকে দুপুরে তাকে ঘুম পাড়ানো প্রবল চেষ্টা দেখা যায় অনেকের মাঝে। হয়ত ভাবছেন রাতের ঘুমের ঘাটতিটা কমে যাবে। কিন্তু সমস্যা হলো বিকেল কিংবা সন্ধ্যা পর্যন্ত ঘুমানোর পর শিশুর সকল ক্লান্তি হারিয়ে গেছে। ফলে রাতে ঘুমানোর স্বাভাবিক সময়ে তার কোনো ক্লান্তি নেই, চোখে ঘুম নেই।

আপনার শিশুকে দুপুরে ঘুম না পাড়িয়ে খেলতে দিন। রাতে ঘুমানোর সময় বেশ কিছুক্ষণ আগেই সে ঘুমে কাতর হয়ে উঠবে। তখন স্বাভাবিক সময়ে দুএক ঘণ্টা আগে ঘুম পাড়িয়ে দিলেও রুটিন নষ্ট হবে না।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Sony Akter 6 months ago

thanks

Logo

Rozina Akhter 6 months ago

nice