shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

নতুন চুল গজানোর ৫ টি কার্যকরী উপায়

আজকাল চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার সমস্যা কমবেশি সকলেরই আছে। অনেক চেষ্টা করে ও চুলগুলোকে রক্ষা করা যায় না। অকালে চুল পড়ে টেকো হয়ে যাওয়া

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 265

Logo

পোস্ট আপডেট 2020-09-20 14:58:20   1 year ago

মাথা কি ক্যাপ দিয়ে আর ডেকে রাখা যায়। আপনার প্রিয় চুলগুলোকে কীভাবে বাঁচাবেন? কীভাবে মাথায় নতুন চুল গজাবেন? আপনি চাইলে খুব সহজ কিছু পদ্ধতি অভলম্বন করে আপানর প্রিয় চুল গুলো বাঁচাতে পারেন অথাবা টেকো মাথা কিভাবে নতুন চুল গজাবেন তার পদ্ধতি জেনে নিন।


প্রথম উপায়ঃ
প্রথম উপায় হলো নিয়মিত চুল ম্যাসাজ করতে হবে। এতে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং স্ক্যাল্প সচ্ছল হবে। এক টেবিল চামচ ভিটামিন ই নিয়ে মাথায় ম্যাসাজ করতে থাকুন। ভিটামিন ই এর সাথে চা এর নির্যাস যোগ করতে পারেন। এই দুটো ভালো ভাবে মিশিয়ে হাতের তালু এবং আঙ্গুলের সাহায্যে পুরো মাথার চুলের গোড়ায় গোড়ায় লাগিয়ে নিন। আলতো ভাবে আপনার চুলে ৫-৬ মিনিট ম্যাসাজ করুন। তারপর মোটা চিরুনি দিয়ে আঁচড়ে নিন। ।কিছুক্ষণ পর সাধারণ ভাবে শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুল গজানোর জন্য দিনে ৩ বার ম্যাসাজ করতে হবে এই নিয়মে। কিন্তু বারবার শ্যাম্পু ব্যবহার না করাই ভালো। এতে চুলের ক্ষতি হবার সম্ভবনা বেশি থাকে।


দ্বিতীয় উপায়ঃ
চুলের গোঁড়ায় এক প্রকার হেয়ার ফলিকল থাকে। ভাইব্রেশনের মাধ্যমে যদি ফলিকল উদ্দীপিত করা যায় তাহলে নতুন চুল গজানো সম্ভব। বাজারে ভাইব্রেটিং ম্যাসেজার কিনতে পাওয়া যায়। এর সাহায্যে আপনি স্ক্যাল্পে চক্রাকারে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মাথায় ভাইব্রেটিং ম্যাসাজ করতে পারেন। আপনার মাথায় যে জায়গায় বেশি চুল পড়ে যাচ্ছে সে সব জায়গায় বেশি মনোযোগ দিন। এভাবে ৫ থেকে ১০ মিনিট আপনার স্ক্যাল্প ভাইব্রেট করুন। ভালো ফল পেতে এটাও আপনাকে দিনে ৩ বার করতে হবে।


তৃতীয় উপায়ঃ
এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে যেটা আপনার স্ক্যাল্পের মৃত কোষগুলো ঝরে যেতে সাহায্য করবে। এই মৃত কোষগুলো স্ক্যাল্পের ফলিকল ব্লক করে রাখে, যে কারণে নতুন চুল গজানোর পথে বাঁধা দেয়। কেননা তখন স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। অল্প পরিমাণ শ্যাম্পু নিয়ে মাথায় ম্যাসাজ়ের মত করে লাগিয়ে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।


চতুর্থ উপায়ঃ
অনেক গবেষণার পর ফেনাস্টেরাইড আর মিনোক্সিডিল নামের দুটো ওষুধ চুল গজানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। দুটি ওষুধের-ই সাইড ইফেক্ট আছে। মিনোক্সিডিল এর দুইটা কনসেনট্রেশন পাওয়া যায়। ২% মিনোক্সিডিল মেয়েদের জন্য আর ৫% মিনোক্সিডিল ছেলেদের জন্য। এটা বাজারে জেনোগ্রো নামে পাওয়া যায়। স্প্রে করে মাথার স্ক্যাল্পে দিতে হয়।

পঞ্চম উপায়ঃ
উপরের চারটি পদ্ধতি ছাড়া ও আপনাকে নতুন চুল গজাতে হলে আপনার খাদ্যভাস পরিবর্তন করতে হবে। বেদানার দানা, পাতা এবং খোসা এক সাথে বেটে নিন। এবার এতে সরিষার তেল দিয়ে হালকা আঁচে গরম করুন। গরম করে তা ছেকে বোতলে রেখে দিন। সপ্তাহে ২-৩ বার এই তেল মাথায় লাগালে চুল পড়া দূর হয়ে ও নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। সবুজ ধনে পাতার রস নিয়মিত চুলের গোড়ায় লাগালে চুল মোলায়েম হয়,কালো হয়, চুলপড়া বন্ধ হয়, এমনকি টাকে নতুন চুল গজায়। পাকা অথবা শুকনো আমলকীর চূর্ণকে নারকেলের তেলে ভালো করে মিশিয়ে নিনি। এবার ওই তেল মালিশ করুন। কিছুক্ষণ রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। কালোজিরা চুল পড়া বন্ধে এবং নতুন চুল গজানোর জন্যে সহায়ক। মাথায় কালোজিরার তেল ব্যবহার করা আর খাবারে কালোজিরা ব্যবহার আপনাকে স্বাস্থোজ্জল চুল দিতে পারে। ডিম ও ভিটামিন-ই ক্যাপসুল এক সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় মাখলেও উপকার পাওয়া যায়।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য