shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

রোজ খেজুর খেলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি মিলবে

খেজুর অত্যন্ত সুস্বাদু একটি ফল। যা রক্তে শর্করার পরিমাণ বাড়ায় এবং চিনির বিকল্প হিসেবে ধরা হয় । খেজুর শক্তির একটি ভালো উৎস এবং খেজুর খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই শরীরের ক্লান্তিভাব দূর হয়। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি। যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

fgggg Md Ashiqur Rahman ভিউ: 307

Logo

পোস্ট আপডেট 2020-12-02 16:40:21   1 year ago

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন খেজুর। 
আয়রনে ভরপুর খেজুর খেতে পারেন প্রতিদিন। অন্তত দুটি খেজুর যদি প্রতিদিন খান তবে অনেক রোগ কাছেও ঘেঁষবে না। আসুন জেনে নিই খেজুরের গুনাগুন  সম্পর্কে 


কোলেস্টেরল ও চর্বি: 

প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে আছে শূন্য দশমিক ৬ গ্রাম কোলেস্টেরল ও চর্বি। সামান্য পরিমাণ কোলেস্টেরল থাকলেও তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। ফলে খেজুর খাদ্যতালিকায় রাখলে স্বাস্থ্যের হানি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

আমিষ:


 একটি খেজুরে ২ দশমিক ২ গ্রাম আমিষ আছে। আমিষ বা প্রোটিন শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান। খেজুর প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে শরীরের পেশি গঠনে সহায়তা করে। পাশাপাশি শরীরের জন্য খুব অপরিহার্য প্রোটিনও সরবরাহ করে।



ভিটামিন:

খেজুরে রয়েছে শরীরের জন্য উপকারী বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন। বিশেষ করে এতে ই-১, ই-২, ই-৩, ই-৫ ও ভিটামিন-সি রয়েছে। খেজুর দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে রাতকানা রোগপ্রতিরোধেও খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।



লোহা:

খেজুরে লোহা আছে ৭ দশমিক ৩ মিলিগ্রাম। লোহা মানবদেহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাই যাদের হৃৎপিণ্ড দুর্বল, খেজুর হতে পারে তাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পথ্য। এ ছাড়া গর্ভবতী ও প্রসূতি নারীদের জন্য এবং বাড়ন্ত বয়সী কিশোরীদের বাড়তি লোহার প্রয়োজন হয়। খেজুর তাদের জন্যও উপকারী।



ক্যালসিয়াম:


খেজুরে ক্যালসিয়াম আছে ৬৩ মিলিগ্রাম। ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। ফলে খেজুর খেলে হাড় মজবুত হয়। এ ছাড়া খেজুর শিশুদের দাঁতের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে।

ক্যানসার প্রতিরোধ প্রতিরোধক:

খেজুর পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ ও প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ। ৩ দশমিক ৯ গ্রাম আঁশ আছে ১০০ গ্রাম খেজুরে। গবেষণায় দেখা যায় খেজুর পেটের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর যাঁরা নিয়মিত খেজুর খান তাঁদের ক্যানসারের ঝুঁকিও কম থাকে।



ওজন নিয়ন্ত্রণ:

মাত্র কয়েকটা খেজুর কমিয়ে দেয় ক্ষুধার জ্বালা। পাকস্থলীকেও কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। কয়েকটা খেজুর কিন্তু শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে দেয়। আবার ভালো পরিমাণে ক্যালরি থাকায় শরীরকে কর্মক্ষম ও স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। বিশেষ করে কঠিন পরিশ্রমের সময় এবং সারা দিন না খেয়ে থাকার পর চারটা খেজুর শরীরে পরিপূর্ণ শক্তি এনে দেয়।



কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে:

খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টি উপাদান যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। কখনো কখনো ডায়রিয়ার জন্যও এটা অনেক উপকারী।



সংক্রমণ প্রতিরোধ: যকৃতের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এ ছাড়া গলা ব্যথা, বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি ও ঠান্ডায় খেজুর উপকারী। খেজুর অ্যালকোহলজনিত বিষক্রিয়ায় বেশ উপকারী। ভেজানো খেজুর খেলে বিষক্রিয়া কমে যায়।
এ ছাড়া খেজুরে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পলিফেনলস যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে।



সতর্কতা:

১০০ গ্রাম খেজুরে রয়েছে ৩২৪ কিলোক্যালরি। এটি ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ হওয়ায় যাঁরা মুটিয়ে যাওয়া রোগে আক্রান্ত এবং যাঁদের ডায়াবেটিস ও কিডনিজনিত সমস্যা আছে তাঁরা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে খেজুর খাবেন।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য


Logo

Sony Akter 1 year ago

Nice

Logo

Upma tewari 1 year ago

Wow