shasthokothaxyz@gmail.com

+8801953906973

ব্রণ দ্রুত দূর করার ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করুন

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ব্রণ ভরা মুখটা দেখতে কার ভালো লাগে বলুন তো! এভাবে সকাল শুরু করা মানে গোটা দিনটাই নষ্ট হওয়া। মুড অফ, বিরক্তি, মেজাজ গরম, যার প্রভাব পড়তে পারে আপনার প্রফেশনাল বা ব্যক্তিগত জীবনেও।

fgggg Sony Akter ভিউ: 267

Logo

পোস্ট আপডেট 2020-12-15 11:00:41   11 months ago

ব্রণ হয় মূলত বয়ঃসন্ধির সময়। ১৩ থেকে ১৯, যেই সময়টাকে ‘টিন-এজ’ বলে, সেই সময়েই আমরা এই ব্রণর সমস্যা হতে দেখি। এই সময় ছেলে-মেয়েদের মধ্যে হরমোনগত কিছু পার্থক্য হতে শুরু করে। হরমোন ক্ষরণের মাত্রার মধ্যে তেমন ভারসাম্য থাকে না। তাই তৈলগ্রন্থি থেকে অতিরিক্ত তেল আর সিবাম ক্ষরণ হতে থাকে।

লোমকূপ বন্ধ হয়ে গিয়ে ব্যাকটেরিয়া আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এই ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর ফলেই ব্রণ হয়। ব্রণর জীবাণুর নাম হল ‘প্রোপাইনো ব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনে’। আবার শুধু বয়ঃসন্ধি নয়, অনেকসময় পিরিয়ড হওয়ার সময়তেও মেয়েদের ব্রণ হতে থাকে। সেটা শুধু যে বয়ঃসন্ধির সময় হয় তা নয়, পরেও হতে পারে।

আর এই ব্রণর জন্য ডাক্তারের কাছেও যেতে ইচ্ছে করে না। তাই খুব ভালো হয় না যদি ঘরোয়া উপায়েই সারানো যায় এই ব্রণ?

ব্রণ ও ব্রণের দাগ দূর করার সহজ ও ঘরোয়া উপায় গুলো হলো:

১)  শশার রস

শশার রস তৈলাক্ততা দূর করতে খুবই কার্যকর। প্রতিদিন বাইরে থেকে এসে শশার রস দিয়ে মুখ পরিষ্কার করতে পারেন। কিংবা আইস কিউব করে রেখেও ইউজ করতে পারেন, এতে ওপেন পোরসের প্রবলেমও সল্ভ হবে অনেকটা।

২) শশার রস, চালের গুঁড়া ও মধু

শশার রস মুখে ব্রণ দূর করতে খুবই কার্যকর। এ ছাড়া স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে চাইলে এর সঙ্গে চালের গুঁড়া মিশিয়ে নিলেই হবে। যাদের মধুতে অ্যালার্জি নেই, তারা সামান্য মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন এই মিশ্রণে। সপ্তাহে দুই দিন এই প্যাক ব্যবহার করলে ত্বক পরিষ্কার হবে। ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস দূর হয়ে যাবে। খেয়াল রাখতে হবে, ব্রণ থাকলে স্ক্রাব করা যাবে না।

৩) কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো

কাঁচা হলুদ এবং চন্দনকাঠের গুঁড়ো ব্রণের জন্য খুবই কার্যকর দুটো উপাদান। সমপরিমাণ বাটা কাঁচা হলুদ এবংচন্দন কাঠের গুঁড়ো একত্রে নিয়ে এতে পরিমাণ মত পানি মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করতে হবে। মিশ্রণটি এরপর ব্রণ আক্রান্ত জায়গায় লাগিয়ে রেখে কিছুক্ষণ পর শুকিয়ে গেলে মুখঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র ব্রণদূর করার কাজ করে না বরং ব্রণের দাগ দূর করতেও সাহায্য করে।

৪) তুলসি পাতার রস

ব্রণের জন্য তুলসি পাতার রস খুব উপকারী। কারণ তুলসি পাতায় আছে আয়ূরবেদিক গুণ। শুধুমাত্র তুলসি পাতার রস ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

৫) চন্দন কাঠের গুড়োঁ, গোলাপ জল ও লেবুর রস

প্রথমে চন্দন কাঠের গুড়োঁর সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে পেষ্ট তৈরি করুন। এরপর এতে ২-৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশাণ। গোলাপজল অনেকের ত্বকের সাথে এডজাষ্ট হয় না। তারা সেই ক্ষেত্রে গোলাপ জলের পরিবর্তে মধু ব্যবহার করতে পারেন। এই মিশ্রণ আপনার ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করবে। সপ্তাহে ৩-৪দিন ব্যবহার করতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

৬) দারুচিনি গুঁড়ার ও গোলাপজল

গোলাপজলের নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণের দাগ কমে যায়। দারুচিনি গুঁড়ার সাথে গোলাপজল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট ব্রণের ওপর লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণের সংক্রমণ, চুলকানি এবং ব্যথা অনেকটাই কমে যাবে।

৭) পেঁপে ও চালের গুঁড়ো

ব্রণ হবার একটি অন্যতম কারণ হলো অপরিষ্কার ত্বক। তাই ত্বক রাখতে হবে পরিষ্কার। নিয়মিত স্ক্রাবিং ত্বককে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। পাকা পেঁপে চটকে নিন এক কাপ। এর সাথে মেশা এক টেবিল চামচ পাতিলেবুর রস এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চালের গুঁড়ো। মিশ্রণটি মুখসহ পুরো শরীরে লাগান। ২০-২৫ মিনিট মাসাজ করে গোসল করে ফেলুন। পেঁপে ছাড়াও ব্যবহার করতে পারেন ঘৃতকুমারীর

৮) পুদিনা পাতা

অতিরিক্ত গরমের কারণে ত্বকে যেসব ফুসকুড়ি এবং ব্রণ হয় সেগুলো দূর করতেও পুদিনা পাতা উপকারী। টাটকা পুদিনা পাতা বেটে ব্রণের ওপর লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট এরপর ধুয়ে ফেলুন।



কমেন্ট


সাম্প্রতিক মন্তব্য